স্টাইল সংক্রান্ত কয়েকটি বিষয় (পর্ব -২)

আসসালামু আলাইকুম, বন্ধুরা! গতকাল আমরা আলোচনা করেছিলাম স্টাইল সংক্রান্ত অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ২টি টিপস। আসুন আজ আমরা জেনে নেই এমনই গুরুত্বপূর্ণ আরো দুটি কৌশল।

০৩. সঠিক মূল্য বুঝে পন্য কেনাঃ

আপনি হয়তো আপনমনেই কিছু পোশাক দেখছিলেন। এরমধ্যেই হঠাৎ এমন একটা সুন্দর পোশাক চোখে পরে গেলো যে না কিনে শান্তি নেই। কিন্তু, কেনার পরে মনে হলো পোশাকটা একটু বেশিই সুন্দর নিয়মিত পরার জন্যে। বেশ কিছুদিন পরে দেখলেন যে দামী কাপড়টা যেই দামে কিনেছিলেন, সেই তুলনায় পরাই হয় নি একদম।

এমন ঘটনা আমাদের সবার জীবনেই ঘটে। এড়িয়ে যেতে চান? তাহলে একটা পোশাক পছন্দ হলে সেটার দাম জেনে নিন। এরপর একটু ভাবুন এই পোশাকটি আপনি আসলে কতদিন পরবেন। যদি এটা অনেকবার পরেন, তাহলে দামী হলেও সমস্যা নেই। আর যদি মাত্র ২-১ বার পরার সম্ভাবনা থাকে, তাহলে সেটা না কেনাই ভালো। উদাহরনস্বরুপ, ধরুন আপনি একটা দামী ব্লেজার কিনলেন যে অনেক বছর ধরে পরবেন। সেটাতে সমস্যা নেই, যেহেতু অনেকদিন পরতে পারবেন। কিন্তু, এমন একটা পোশাক দেখলেন যেটা খুব একটা পরার সম্ভাবনা নেই, তাহলে সেটা বেশি দামে না কেনাই ভালো।

০৪. বেসিক ফ্যাশনের সাথে ট্রেন্ড মিলিয়ে পোশাক কিনুনঃ

আমাদের অনেকেরই ধারণা যে ট্রেন্ডি থাকতে অনেক টাকা খরচ করতে হয়। আসলে ব্যাপারটা এমনই হতে হবে সেরকম কিছু নয়। কম খরচেও আপনি কিন্তু দারুণ ট্রেন্ডি থাকতে পারেন। রহস্যটা কি? আপনার ওয়ারড্রোবের বেশিরভাগ (প্রায় ৭০% থেকে ৮০%) পোশাক হওয়া উচিত বেসিক ফ্যাশনের। বেসিক ফ্যাশন হচ্ছে সেই ফ্যাশন যা প্রায় সবসময়ই থাকে। দেখবেন কিছু বেসিক ডিজাইন, কাট সবসময়েই খুব সুন্দর লাগে। এই ধরণের পোশাক বেশি রাখবেন নিজের কাছে। আর বাকিগুলো কিনবেন ট্রেন্ডি পোশাক যেই ট্রেন্ড হয়তো কয়েকমাস থেকে হয়তো বছর পর্যন্ত স্থায়ী হবে। এবার এই দুই ধরণের পোশাকের মিশেলে আয়নায় দেখুন এক নতুন আপনাকে, যে রহস্যময় ভাবে সবসময়ই ট্রেন্ডি! এখন না হয় একটু প্রশংসাই করলেন নিজের। ক্ষতি কি!

০৫. প্রত্যেক আইটেমের জন্যে একাধিক বিকল্প রাখুনঃ

প্রত্যক আইটেমের জন্যে একাধিক বিকল্প? সেটা আবার কিরকম? ভালো লাগবে তো?

চোখ রাখুন আবহ এর পরবর্তী পোস্টে!

তথ্যসূত্রঃ brightside.me

Leave a Reply