স্টাইল সংক্রান্ত কয়েকটি বিষয়

আসসালামু আলাইকুম, বন্ধুরা! কেমন কাটছে আপনাদের? আশা করি ভালো আছেন সবাই। আবহ এর আজকের আয়োজনে থাকছে স্টাইল সংক্রান্ত কয়েকটি বিষয় যা ফ্যাশন-সচেতনদের অবশ্যই মনে রাখা উচিত! তো আর দেরী কেন? চলুন, জেনে নেই এমনই বেশ কিছু ছোট ছোট অথচ খুব গুরুত্বপূর্ণ টিপস!

০১. চিন্তা করে পোশাক কেনাঃ  

আপনার যদি ওয়ারড্রোব ভর্তি পোশাক থাকার পরেও “পরার মতো কিচ্ছু পাচ্ছি না” এমন মনে হয়, সেক্ষেত্রে আপনার উচিত হবে পরিকল্পনাহীন ভাবে পোশাক কেনা থেকে বিরত থাকা। কোন কিছু কেনার আগে সেটা অন্য কোন জিনিসের সাথে পরবেন, সেটা মাথায় থাকা দরকার। যেমন, একটা টপস কিনছেন? আগেই একটু ভাবুন তো, এটা আপনার কোন জিন্সের সাথে পরবেন বা আপনার কোন পালাজ্জো এটার সাথে মানাবে? যদি সাথে সাথে মাথায় এমন দুই/তিনটি বিকল্প মাথায় আসে, তাহলেই টপস-টা কিনবেন। আর, সাথে সাথে যদি অন্যান্য জিনিসগুলিও, যেমন, জুতা, ঘড়ি, এগুলোও ভেবে রাখতে পারেন, তবে তো আরো ভালো। মোট কথা, এমন কোন পোশাক কিনবেন না যেটা আপনার অন্যান্য পোশাক বা এ্যক্সেসরিজ এর সাথে মানানসই না।

০২. সঠিক স্টোর থেকে পোশাক কেনাঃ

একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন, আপনার পরিচিত প্রায় প্রতিটি স্টোর একধরণের নির্দিষ্ট ক্রেতার জন্যে পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসে আছে। কিছু স্টোর আছে, যেগুলোতে অভিজাত মহলের যাতাযাত বেশি। আবার কিছু স্টোর মূলত মধ্যবিত্তদের জন্যে যেখানে কিছুটা কম দামে জিনিস পাওয়া যায়। তো, আপনার বয়স যদি ২০ এর কম হয়, আপনি চাইলেই কিছুটা কম দামে হলেও হালকা ডিজাইনের পোশাক পরতে পারেন যেটা আপনার তারুণ্যেকে প্রাধান্য দেবে। অন্যদিকে ৩০ এর পর আপনার হয়তো প্রয়োজন একটা ভালো ব্রান্ডের মার্জিত, রুচিশীল পোশাক যা আপনার বয়সের সাথে মানানসই। সেজন্যে, কোন স্টোর বা ব্রান্ড কাদের জন্যে পন্য তৈরি/ বিক্রয় করে সেটা যদি আপনি বুঝে যান, তাহলে অযথাই আপনার পছন্দের জামাটির জন্যে সমস্ত স্টোর না ঘুরে সহজেই যেই স্টোরে সেটা পাওয়া যেতে পারে, আপনি সরাসরি সেখানেই যেতে পারবেন এবং এতে অ-নে-ক সময় বাঁচবে। আর, একটু বাড়তি সময় পেতে কে না চায়, বলুন?

(চলবে)

তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট (Brightside.me)

Leave a Reply