বর্ষায় পোষাকের ১০টি টিপস

এখন যেভাবে বৃষ্টি-বাদল শুরু হয়েছে, কর্মজীবি নারীদের জন্যে শুকনো কাপড়ে থাকা সুস্বাস্থ্যের জন্যে খুবই জরুরি। আবহ- এর এই পোস্টে পাবেন এমনই ১০টি টিপস যা বর্ষার রিমঝিম বৃষ্টিতেও আপনাকে রাখবে চনমনে এবং সুস্থ!

০১। যেসব কাপড় দ্রুত শুকিয়ে যায়, তেমন হালকা কাপড় পরুন। জিন্সের মত ভারী কাপড় ভিজলে শুকাতে চায় না। হঠাৎ বৃষ্টিতে কখন ভিজে যাবেন বলা মুশকিল। সেক্ষেত্রে ভারী কাপড় পরে থাকলে অফিসে সারাদিন ভেজা কাপড়ে থাকতে হবে। এই করোনার যুগে ঠান্ডা লাগাতে কে চায় বলুন?

০২। বর্ষায় বাস্তবসম্মত পোষাক পরুন। যেমন, আপনার যদি পানি-কাদাভর্তি রাস্তায় হাঁটতেই হয়, তবে, শাড়ি না পড়ে হালকা কাপড়ের সালোয়ার-কামিজ পড়ুন। পছন্দের শাড়িটি পানি-কাদায় নষ্ট হলে এমনই মন খারাপ লাগবে যে কাজে আর সেদিন মন দিতে পারবেন না।

০৩। রঙচঙে কাপড় বর্ষার সময় ভালো যায়। বৃষ্টির সময় মনমরা ভাব কাটাতে আর মনে একটা চনমনে ভাবে আনতে এটা কাজে দেয় খুব। সেজন্যে উজ্জ্বল রঙের ফুলের প্রিন্টের কাপড় পরতে পারেন।

০৪। তবে, যদি আপনি উজ্জ্বল রঙ পছন্দ না করেন, সেক্ষেত্রে একদমই গাঢ় (কালো বা ঘন নীল এর কোন টোন) পরলে ভালো। এই রঙগুলো বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট দাগগুলি লুকাতে ওস্তাদ।

০৫। খুব আঁটোসাঁটো কাপড় পরিহার করুন। কারণ এই ধরণের কাপড় আদ্রতা ধরে রেখে ত্বকের সমস্যা তৈরি করে। টপস পড়লে একটু ঢিলেঢালা ধরণের কিছু পরুন। আরাম পাবেন, আবার ভিজলে দ্রুত শুকিয়েও যাবে।

০৬। যারা প্যান্ট পড়তে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, তারা চাইলে সেটা কাদাপানি ভর্তি রাস্তায় যাবার আগেই কিছুটা গুটিয়ে রাখতে পারেন। নাহলে হাতে ব্যাগ নিয়ে ডুবন্ত রাস্তায় আরেকহাত দিয়ে প্যান্ট উঠিয়ে রাখতে হলে বিপদে পড়তে পারেন।

০৭। যারা হিজাব পড়েন, তাদের জন্যে উজ্জ্বল রঙের হিজাব পড়াই ভালো। এতে বৃষ্টি ভেজা দিনে মনটা বেশ ভালো থাকবে সারাদিন।

০৮। মেইক-আপ যদি নিতেই হয় তবে হালকা, ওয়াটার প্রুফ মেইক-আপ নেয়াই ভালো। আসলে, শুধুমাত্র সানস্ক্রিন, পানি-নিরোধক আই লাইনার বা মাশকারা আর ঠোঁটে কিছুটা লিপস্টিকই এই সময়ে আপনার ভেতর আবহাওয়ার সাথে মানানসই একটা স্নিগ্ধভাব নিয়ে আসবে।

০৯। জুতার ক্ষেত্রে বর্ষায় হালকা পিভিসি স্যান্ডাল সবচেয়ে উপযোগি। ভিজলে চামড়ার জুতা নষ্ট হয়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে। মার্কেটে বিভিন্ন ধরণের ফ্যাশনেবল চপ্পল পাবেন। তবে, এক্ষেত্রে স্যান্ডেল এর নীচের গ্রিপ একটু দেখে নেবেন। একদম ফ্ল্যাট হলে কিন্তু পিছলে যেতে পারে।

১০। সাথে একটি ব্যাগ তো প্রায় সবারই থাকে। ব্যাগে অবশ্যই একটা ছোট ফোল্ডিং ছাতা রাখুন। সবচেয়ে ভালো হয় একটা ওভারকোট ধরণের রেইনকোট সাথে রাখলে। এগুলো চট করে খুলে ফেলা যায়। বাসা থেকে পরে বের হলেন, আর, অফিসে গিয়ে খুলে নিলেই হলো।

এই ছিলো আপনাদের জন্যে আমাদের আজকের আয়োজন। করোনার এই দূর্যোগে নিজের যত্ন নিন। নিজে সুস্থ থাকুন। অপরকেও সুস্থ রাখুন। শুভকামনা রইলো!

তথ্যসুত্রঃ টাইমস অব ইন্ডিয়া থেকে অনূদিত।

Leave a Reply